
ইসলাম সম্পর্কে আমি যা বুঝেছি, তার একটা দিক হলো, রেসপন্সিবল হওয়া। অর্থাৎ কৃত কাজকর্মের দায় নিতে হবে।
ফেক আইডি থেকে বিভিন্ন বিষয়ে ইসলামিক পার্সপেক্টিভ থেকে মতামত দেওয়ার মাধ্যমে ব্যক্তি পাবলিকলি এসব মতামতের দায়িত্ব নেয়া থেকে বেঁচে যায়। ফেক আইডির পরিচয় কেউ জানে না। ফলে যেকোনো লেংথে ফেক আইডি থেকে কথা বলা যায়। পরিচয় সম্পর্কে কেউ না জানলেও নিছক ধারণা থেকে ফেক আইডিকে অনেক বড় আল্লামা বলে মনে হতে পারে। যদিও বাস্তবে তা না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
দায়দায়িত্ব নেওয়ার ঝুঁকি থেকে বেঁচে থাকায় ফেক আইডি থেকে এমন সব কথাবার্তাও বলা যায়, যাতে করে সমাজে বিশৃঙ্খলা তথা ফেতনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। কোনো অসুবিধা দেখলে ফেক আইডির মালিক আইডি ডিলিট করেই পার পেয়ে যায়। কিন্তু তার কথার দ্বারা যারা মোটিভেটেট হয়, তাদের জীবন তো আর এত সহজে পাল্টে যায় না।
এ কারণে দেখবেন বিভিন্ন উগ্রপন্থী লোক ফেক আইডি থেকে অ্যাক্টিভিজম করে। মূল কারণটা হচ্ছে দায়দায়িত্ব এড়ানো। অথচ প্রকৃত মুসলমানের বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত, দায় দায়িত্ব নিয়ে কথা বলা।
এই ফান্ডামেন্টাল ব্যাপারটা যে মেনটেইন করতে পারে না, সে যত বড় হক কথাই বলুক না কেন, তার রেফারেন্সে সেটা আমল করা অনুচিত বলে আমার কাছে মনে হয়।
উল্লেখ্য, ইসলামে কার্যগত দিক থেকে জিহাদ এবং ফিতনার মধ্যে পার্থক্য খুব অল্প।
(একজনের পোস্টে একটু আগে এই কমেন্টটি করেছি। ভাবলাম টাইমলাইনেও তুলে রাখি।)